Bangladesh FootballFootball

‘এই ট্রফি সব ফুটবলারের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকুক’

সরাসরি বিশ্বকাপের সোনলি ট্রফি দেখতে কেমন? কিংবদন্তিদের স্পর্শ পাওয়া এই শিরোপা ছুঁয়ে দেখলে কী বিশেষ কোনো অনুভূতি হয়? টিভির পর্দায় নয় প্রথমবার বিশ্বকাপ ট্রফি দেখা জামাল ভূঁইয়া সেটার উত্তর পেয়েছেন। বিশ্বকাপ ছোঁয়ার রোমাঞ্চ ছুঁয়ে গেছে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়কের হৃদয়ে। বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের এই শিরোপা বাংলাদেশের সব ফুটবলারদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে এমনটাই বিশ্বাস তাঁর।

বিশ্ব ভ্রমণের অংশ হিসেবে কোকা-কোলার ২০২৬ বিশ্বকাপের ট্রফি আজ বুধবার সকালে ঢাকায় নিয়ে এসেছে। ট্রফি বরণ করে নেওয়া দলে ছিলেন জামাল ভূঁইয়াও। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে প্রথমবার বিশ্বকাপের ট্রফি দেখার অনুভূতি জানালেন বাংলাদেশের অধিনায়ক।

সত্যি বলতে, অভিজ্ঞতটা জোশ ছিল। বিশ্বকাপের ট্রফির সঙ্গে এসেছেন গিলবার্তো (সিলভা)। এটা আমার প্রথমবার বিশ্বকাপ দেখা। খুবই ভালো লাগছে। আমি তো মনে করছি ট্রফি একটু ছোট, কিন্তু এটা আসলে অনেক বড়। আমি জিজ্ঞেস করছি  এটার ওজন কেমন? প্রায় সাত কেজি খাঁটি স্বর্ণের। অভিজ্ঞতটা তাই খুব ভালো ছিল।’

এ নিয়ে চতুর্থবারের মতো বাংলাদেশে এলো বিশ্বকাপ ট্রফি। বাংলাদেশের ফুটবলারদের জন্য এবং আগামী প্রজন্মের খেলোয়াড়দের জন্য বিশ্বকাপের শিরোপা অনুপ্রেরণা হয়ে থাকে বলে আশা করছেন জামাল, যেহেতু এই ট্রফি বাংলাদেশে আসছে, এটি যেন সব ফুটবলারের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকে—যারা কঠোর পরিশ্রম করতে পারে, নিয়মিত অনুশীলন করে, এবং যারা ভবিষ্যতে ফুটবলার হতে চায়। এই ট্রফিটি, আমার মনে হয়, আরও বড় ধরনের প্রেরণা এনে দেবে। আর এই ট্রফির হাত ধরেই নতুন প্রজন্মের মধ্যে বিশ্বাস জন্মাতে পারে—হয়তো একদিন বাংলাদেশ নিজেই বিশ্বকাপের মঞ্চে নিজের একটা অধ্যায় লিখবে।’

জামালের প্রিয় দল ব্রাজিল আর প্রিয় ফুটবলার রোনালদো। ব্রাজিলের ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী এই ফুটবলারের সতীর্থ ছিলেন গিলবার্তো। এই দল থেকেই অনেক অনুপ্রেরণা পেয়েছেন বলে জানান ৩৫ বছর বয়সী ফুটবলার, ‘“আমি ছোটবেলা থেকেই ব্রাজিলকে ফলো করি, কারণ আমার প্রথম প্রিয় খেলোয়াড় ছিল রোনালদো। আর বিশেষ করে এখন যেহেতু আমি গিলবার্তোর সামনে কথা বলছি, তাই ২০০২ সালের সেই ব্রাজিল দলটার কথা আলাদা করে বলতেই হয়। হ্যাঁ, ওই দলে গিলবার্তোও ছিলেন। সেই দলটা আমাকে ভীষণভাবে অনুপ্রাণিত করেছে, কারণ তখন আমার বয়স ছিল মাত্র ১২ বছর। রোনালদো, রিভালদো, রোনালদিনহো—এর সঙ্গে গিলবার্তোও ছিল সেই দলে। ওই দলটাই আমার ফুটবলের প্রতি ভালোবাসাকে আরও গভীর করে তুলেছিল।’

জামাল ভূঁইয়ার জন্ম ডেনমার্কে। সেক্ষেত্রে বিশ্বকাপ ব্রাজিলের আগে তাঁর প্রত্যাশা বেশি জন্মভূমিকে নিয়েই, ‘অবশ্যই আমি চাই ডেনমার্ক জিতুক, কারণ ডেনমার্কই আমার জন্মভূমি। কিন্তু যদি ডেনমার্ক না পারে, তাহলে নিঃসন্দেহে আমি চাই ব্রাজিলের হাতেই ট্রফিটা উঠুক।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *